January 16, 2026 4:07 am
January 16, 2026 4:07 am
আওয়াজ বাংলা / আওয়াজ বাংলা সম্পর্কে / “আওয়াজ বাংলা’র” আদ্যোপান্ত

“আওয়াজ বাংলা’র” আদ্যোপান্ত

দেখবো এবার জগতটাকে,
আপন হাতের মুঠোয় পুরে,
কেমন করে ঘুরছে মানুষ,
যুগান্তরের ঘুর্নিপাকে…!

কবি নজরুল এর আগাম বানী যেন আজ প্রতিনিয়ত উপলব্ধ হয় স্মার্টফোনের এই যুগের টেলিভিশন, পত্রিকা, ম্যাগাজিন সব কিছুর অনলাইন ভার্সন ইউটিউব, ফেইবুক,টিকটক,এপস ইত্যাদির কল্যানে।
যেদিকেই তাকাই পাই নেতা-নেত্রী, অভিনেতা-অভিনেত্রী, ইউটিউবার আর কণ্টেন্ট ক্রিয়েটরদের নানাবিধ জ্ঞ্যান বিতরন আর নানান খাদ্য-অখাদ্যের তুমুল মাতা মাতি।

নিশ্চয়ই আপনাদের চোখও এড়ায় না এসব আয়োজন।

নিশ্চিত ভাবেই অভিনেতা-অভিনেত্রী, ইউটিউবার কিংবা কণ্টেন্ট ক্রিয়েটরদের যার যা ইচ্ছা করতেই পারে।
তাতে করে একমাত্র গণ্ডমূর্খ ছাড়া কারোর কোন ক্ষতি হবার কথা নয়। যার হুশ নেই সে যা বুঝবার বুঝলো নয়তো হাসাহাসিতেই দিন পার করলো, এতে আবার ক্ষতি কিসের ভেবে নিলেই সমস্যা সমাধান।
দিনশেষে তো কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হলো, এইতো বেশ। কারন বলতে- নিশ্চিত ভাবেই আর্থিক সচ্ছলতা কিছুটা হলেও পরিবেশ শান্ত করে রাখতে পারে।

সে যাই হোক এসব কন্টেন্ট বা ভিডিও বার্তা কেউ আমলে নিচ্ছে; কেউ নিচ্ছেই না, কেউ দেখছে; কেউ দেখছে না। এতে ভাবনার বা দু:শ্চিন্তার কোন কারন ই নেই সাধারন মানুষের।

অনলাইন বা অফলাইন এসব যাই হোক তা নিয়ে তেমন মাথাব্যাথা নেই কারন এ সবই তথ্যপ্রযুক্তি’র আয়োজন।

দু:শ্চিন্তাটা হলো ৪০ উর্দ্ধ এই জীবনে যখনই টেলিভিশন, পত্রিকা বা বর্তমান অনলাইন কন্টেন্ট যাই হোক না কেন, জনগনের নামে শুধুমাত্র দলীয় নেতাই দেখলাম সকল পর্দায় বা পৃষ্ঠায়। দলমত নির্বিশেষে সকল নেতাদেরকেই টেলিভিশন,পত্রিকা সহ বর্তমানের অনলাইন মিডিয়াতে সেই ছোট বেলায় শোনা একই কথা বলতে শুনতে থাকি-
জনগন চায় না, জনগন চায়, জনতার দাবী, সমাজের দাবী, দেশের দাবী, সারা বিশ্বের দাবী, জনগন বলে এই একই কথা বলেই তোলপাড় করে দিচ্ছে সেইসব মঞ্চ।

ভাবনা এখানেই শুরু।
কই!!!কেউ তো আজ পর্যন্ত আমার কাছে এসে জানতে চাইলো না-
কি চাই আমি এই স্বাধীন দেশে,
কি ভাবি এই দেশ নিয়ে,
কি দু:চিন্তার উদয় হয় আমাদের চারপাশের অবস্থান দেখে,
কতটা কষ্টে আছি আমি অথবা আমাকে ভালো রাখতে কি চেষ্টাটা আছে তাদের,
একবারের জন্যেও দেখা হলো না কথা তো দুরের হিসেব,
তাদের তো জানাই হলো না-
আমার পেটের খবর,ঘরের খবর।
কি শিখলাম বা কি শিক্ষাই দিচ্ছি নিজ সন্তানদের,
কি হিসেব এ চলছে আমার জীবনের হিসেব নিকেশ,
ঘুষ আর দুর্নিতির গন্ধে কেমন আছি আমি…!!
এ সকল নেতাগনদের কেউ কোনদিন আসেনি আমার খোজ নিতে।
এমনকি আমার বাবা তো দুরের কথা দাদা’র কাছেও কোন নেতা এসে এসব জানতে চেয়েছে বলে শুনিনি কোনদিন।

আপনি বা আপনারা দেখেছেন বা শুনেছেন কি…???

সকল মঞ্চেই সকল দলের নেতাগনই দলীয় আবেশে নিজ মনে আমি সহ আমার তিন পুরুষের যাবতীয় ইচ্ছা, স্বাধীনতা, মনের ভাবনা, মানসিকতা, প্রয়োজন, অপ্রোয়জন, ভালো-মন্দ এমনকি ধর্ম-অধর্ম সহ সকল কিছুই তাদের ইচ্ছামতো বলে দিচ্ছেন।
অথচ যার একটি কথাও আমার কথা নয়, হয়তো অন্য কারোর হতেও পারে, কিন্তু আমার নয় বা আমার পরিবার এর কোন সদস্যেরও নয় সেটা আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি..!!!
দু:শ্চিন্তাটা এখানেই। বলবো বটেই, কিন্তু কোথায়, কে শুনবে আমার কথা। দিনশেষে হয় ঘরের অলসতায় নয়তো চায়ের আড্ডায় ঘেউ ঘেউ করেই আমি আবার গাধা হয়েই বেচে যাই।

২০১৯-২০২০ সালের কোভিড-১৯ থেকে শুরু করে বর্তমান বিশ্ববস্থা বা ২৪ এর বিপ্লবের পরও আমার দেশের আভ্যন্তরীণ যে দূর্যোগ সেটা নিয়ে দু:শ্চিন্তা বেশ হবে, এটাই তো স্বাভাবিক।
কারন আমিও এখন একজন পিতা, যে শুধুই চায় তার সন্তান প্রথমত একজন ভালো মানুষ হোক, তারপর তার যা ইচ্ছা সে মোতাবেক কাজ করুক।

কিন্তু কিভাবে সম্ভব…???
যেখানে এই ৫৩ বছর ধরেই নেতাগন ভোগ পন্য বানিয়ে যাচ্ছেন আমাদের প্রতিটি প্রজন্মকে..!!!
কেনই বা আমরা প্রতিটি লড়াই শেষে তাদের হাতে নিজেদের তুলে দিচ্ছি সরলতার দোহাই দিয়ে..!!!
কেন আমরা কেউ কখনো জবাবদিহিতা চাইতে সাহস পাই না..!!!
কেনই বা কোন গনমাধ্যম আমার বা আমাদের বা জনগন এর কথা শোনায় না,দেখায় না..!!!
কেন আমাদের কথা নেতাদের ইচ্ছায় বলা হবে…!!

এত কেন ঘিরেই প্রশ্ন দাঁড়ায় –
কেন রে ভাই, আমার কথা কি আমি বলতে পারি না, আমার কি দেশের জন্য না হলেও আমার নিজের মনের কথা বলারও দরকার নাই।
আমি কি এতটাই অযোগ্যতা বহন করেই বেচে আছি…!!!

যে নেতা ভোটের আগে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভোট ভিক্ষা চায়, সেই নির্বাচন জয়ের পর সংসদ, মন্ত্রনালয় আর টক শো নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েন।

মাসে কেন বছরেও তাদের আর দেখা মেলে না। অথচ তারা বলেন দিচ্ছেন আমি কি চাই, আমি কি ভাবি, আমার কি প্রত্যাশা।

দল যেখানে মানুষের জন্যই, সরকার যেখানে মানুষের ই সৃষ্টি সেখানে সেই মানুষ’ই কেন নেই কোন টেলিভিশন এর পর্দায়, সেই জনগন কেন নেই সব প্রত্রিকার খবরে…???

হয়তো আপনার বা এদেশের সকলেরই এমন ভাবনা আছে তবুও নেতিয়ে পরছে বারবার ভুল সিদ্ধান্তের লালনে অথবা বাস্তবিক সময়ের গ্যাঁড়াকলে নতুবা মানসিক শক্তির অভাবে।

এদিকে যে যখন লাইমলাইট এ আসতে পারে সেই তখন হয়ে ওঠে জনগনের মন বিশেষজ্ঞ। আমাদের দোহাই দিয়ে বলে যাচ্ছে তার বা তার দলের কথা।

কেউ বলছে না আপনার কথা,আমার কথা।
কেউ বলছে না আসলেই জনগন কি চায়…!!!!!
জনগন কি আশা করে, জনগন কি স্বপ্ন দেখে..।।।

কারন টেলিভিশন, পত্রিকা বা অনলাইন মিডিয়া যে যতই গনমাধ্যম বা জনগনের কথাই বলুক না কেন আদতে নেতাদের সেচ্ছাচারিতাই প্রচার করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। নাহলে তাদের এতশত টকশো এর সেট জুড়ে জনগনের আওয়াজ শিহরিত করে তুলতো সকল দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাগনকে।

স্বপ্ন হলেও মনে হতে পারে।

এছাড়া হয়তো আদতে গনমাধ্যম এর কাছেও জনগন এর মনের “খবর” নেই, নতুবা নেয়ার সময় নেই অথবা তাদের আইন এ নেই।

আর এই সুযোগে সকল দলের নেতাগন যেখানে পর্দায় একে অন্যের কাপড় খুলে ফেলছে সেখানে দলমত নির্বিশেষে সকলেই নিজের মনমত যখন যেভাবে ইচ্ছা আপনার আমার বা আমাদের এই সাধারন জনগনের মনের সকল খবর নিশ্চিতভাবে বলে দিয়ে দিনভর বাহবা কুড়াচ্ছে। অন্যদিকে জনগন সব হারিয়ে রাতভর হাপিয়ে মরছে।

তাই কারোও কোন অপেক্ষায় নয়, কারো আশায় নয়, নিজের কথা নিজে বলতে, জনগনের আশার কথাগুলো তাদের নিজের মুখে শুনতে, জনগনের প্রত্যাশাগুলোকে তাদের নিজ শরীরে দেখাতে, প্রতিটি সাধারন মানুষের স্বপ্নগুলোকে তাদের নিজ নিজ মুখের ভাষায়, নিজ নিজ অবস্থান থেকেই সারাদেশবাসীর চোখের পর্দায় এটে দিতে প্রযুক্তির কল্যানে ১৮ কোটি জনগনের মুক্ত মনে নিরপেক্ষ ও উন্নত মানসিকতার প্রতিটি কথা শোনানো ও দেখানোর একমাত্র অনলাইন প্রচার মাধ্যম আপনার ও আপনাদের এই “আওয়াজ বাংলা”।

এখানে আপনি-
আপনার নিজের কথা বলতে পারেন,
আপনার দেশ ভাবনার প্রকাশ করতে পারেন,
আপনার সৎ ইচ্ছা’কে জনগনের সামনে তুলে ধরতে পারেন,
আপনার এলাকার সৌন্দর্যরূপ তুলে ধরতে পারেন, এলাকার সমস্যাগুলো জনগন এর আওয়াজ সহ তুলে ধরতে পারেন, সমাধান এর জন্য জনগন এর আলাদা আলাদা বক্তব্য সুস্থ ও সুন্দরের লক্ষ্যে তুলে ধরতে পারেন।
কৃষকের জমির কথা বলতে পারেন, জেলের মাছ ধরার চিত্র তুলে ধরতে পারেন, গায়েন এর গান শোনাতে পারেন, প্রতিভাবানদের প্রতিভা তুলে ধরতে আওয়াজ তুলতে পারেন।

প্রতিদিন, যে কোন সময়ে, যে কোন স্থান থেকে, যে কোন বিষয় শেয়ার করে আওয়াজ তুলতে প্রতিটি সাধারন জনতার, আপনার ও আপনাদের একমাত্র অনলাইন প্রচার মাধ্যম “আওয়াজ বাংলা”র পর্দায়।

কোথায় কোন সমস্যা সেটা তুলে ধরতে পারেন শুধুমাত্রই সমাধান এর লক্ষ্যে।

কাউকে দোষারোপ বা বিভেদের লক্ষ্যে কোন ধারনা বা কল্পনা নির্ভর বয়ান, বা কোন বোকাবাজি “আওয়াজ বাংলা” প্রাধান্য দেয় না।

কোন দল বা একক ব্যক্তি বা নেতার জন্য সৃষ্টি হয়নি জনগনের মঞ্চ “আওয়াজ বাংলা”।

এর জন্ম হয়েছে জনতার বিপ্লব ও বিসর্জন অনুভব করার আলোতে।
প্রতিটি সাধারন জনগন এর সজাগ, উদ্যমী সচেতন অবস্থানকে ধারাবাহিক ও অক্ষুন্ন রাখতে জনগনের মঞ্চ “আওয়াজ বাংলা” সৃষ্টি হয়।
এখানে আমরা শুধুই আমাদের প্রতিটি মানুষের কথাগুলো সারাদেশ তথা সারা বিশ্বের সামনে উন্মুক্ত ব্যপকতায় বলতে চাই।

আর যেন সন্মানিত নেতাগন আমাদের কাছে না এসেই, আমাদের কথা না শুনেই, নিজের মত করে তার নিজের মনগড়া কথা এবং তার দলের কথাগুলোকেই আপনার-আমার ইচ্ছা, জনগনের দাবী বলে চালিয়ে দিয়ে ক্ষমতার লোভের লড়াই এ সামিল হয়। যার ভোগান্তি হয় প্রতিটি সাধারন জনগন এর।
তাই আমাদের কথা আমরাই বলবো, কোন নেতা নয়,
আমাদের ইচ্ছা আমারাই প্রচার করবো কারো আশায় বসে থাকা নয়,
আমাদের সপ্ন আমরাই গড়বো, কোন দলের ভরসায় নয়।

সত্যবাদীতা,সৎকর্ম,সৃজনশীলতা,সুশিক্ষা,অগাধ পরিশ্রম আর বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজ নিজ কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে সচ্ছলতা অর্জন করে দেশ গড়ে তুলতে আর কোন নেতা নয় আমরা নিজেরাই হয়ে উঠতে পারি নিজেদের চালিকা শক্তি।

উদ্দ্যেশ্য হল আমাদের সকলের একত্রিত, উদ্দ্যমী ও সচেতন ধারাবাহিক প্রচারনার ভীরে আর কোন নেতা যেন আপনার-আমার মনের কথাগুলো বলার তাগিদ না পায়। যেন আমাদের কথা আমরাই বলতে পারি আর তারা শুনতে পারে তাদের দেশ ভাগাভাগির সংসদে।

সমস্যা যতই হোক, সত্য প্রদর্শিত হলে সমাধান নিজেই এগিয়ে আসে,এটা সর্বজনে প্রমানিত।

তাই আমরা নিজেরাই যেন নিজগুনেই নিজের মত প্রকাশ করতে পারি এবং নিজেদের আয়োজনে নিজেদের ভবিষ্যত নিজেরাই যেন প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে পারি আমাদের এই জনগনের মঞ্চ আলোকিত করে।

জেনে রাখবেন আওয়াজ বাংলা কোন সংবাদ মাধ্যম হতে চায় না তাই এর কোন পরিধি নেই।
এটি কোন খবর প্রচারে ইচ্ছুক নয় তাই এর কোন বিভ্রান্তি নেই।
এমনকি কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয় এবং এর কোন বিভেদ-বিভাজন নেই।

এটি শুধুমাত্রই সারা দেশের প্রতিটি মানুষের মনের কথা, প্রত্যাশার কথা, পরিকল্পনার কথা, সফলতার কথা, ব্যার্থতার কথা, প্রকাশ করার সংকল্প নিয়ে কাজ করবে এবং করার সার্বিক চেষ্টা করে যাচ্ছে।

এটি এদেশের জনগনের একমাত্র মত প্রকাশের দালিলিক মাধ্যম যা প্রতিদিন এদেশের সাধারন মানুষের কথা শোনাতে ও দেখাতে বদ্ধপরিকর।

এর ধারাবাহিকতায় আগামীতে আর বলতে হবে না,
কেউ সুযোগ করে দেয়নি,
বলতে হবে না কেউ কথা রাখেনি।

একে অন্যের সপ্ন পুরনের সাথী হয়ে জানিয়ে দেবো-
আর অন্ধকারে নয় আলোর দিকেই ধাবিত হবো আমরা।আলোর বিচ্চুরন হোক প্রতিটি ঘরে, এই তো প্রত্যাশা।

“আওয়াজ বাংলা” বদ্ধপরিকর আপনার বক্তব্য প্রচারনায়।

কমন প্রশ্ন-
“আওয়াজ বাংলা”র কার্যক্রম পরিচালনায় লাভ কি আর এর অর্থায়ন এর উতস কি?

মানুষ ও দেশ এর উন্নয়নে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে যাওয়া আমাদের সকলের জন্যেই উন্নত মানসিকতার ও উন্নত কর্মের বহি:প্রকাশ।
এই এতটুকু অর্জন করতে রাজনীতি নামক শব্দের প্রয়োজন হয় না, যা সকলেই অনুধাবন করতে পারেন।

আমাদের অধিকাংশ সমস্যার মুল খুজলে দেখা যাবে যে, আমরা সেটুকুই জানতে পারি যা আমাদের জানতে দেয়া হয়।

এদিকে আমাদেরই নির্বাচিত সকল নেতাগন যেমনটা তাদের ক্ষমতা নির্ভর চতুরতার উপরে বিশ্বাস রাখেন ঠিক তেমনি আমাদের অযোগ্যতা গুলোর ব্যাপারে বোধ রাখেন।

আর তাই সকল মিডিয়া’ই চামচ চাটতে তাদের নিয়েই মাতামাতি করছে। আর কর্মহীন-বেকার-জ্ঞ্যানশুন্য আমরা সেই সকল নেতাগন এর ক্ষমতার পেছনে ছুটতে ছুটতে অদক্ষতা কামাই করে দিনশেষে বোবা হয়ে বেচে যাই চায়ের আড্ডায় ধোয়া উড়িয়ে। আর তারা থলি ভরছে জনতার নাম বিক্রি করে।

যতই যা জানানো হোক লাভ ছাড়া এ জাতি এক পা’ও বাড়ায় না এটা সকলেরই জানা। এই অনলাইন যুগে আয় বাড়াতে অনলাইন এক উত্তম মাধ্যম এটাও সকলেই জানেন।
তবে কিভাবে আয় হয়,কি কি জানতে হয়,কিভাবে কি কার্যক্রম করতে হয়, আর কতটা সময় ক্ষেপন হয় সেটা নির্বাচন করতে করতেই অধিকাংশের ই সময়টা হাপিয়ে ওঠে।

সেই সাথে সুশিক্ষার নামে অর্ধশিক্ষা আর কর্মের নামে অলসতার যোগ তো আমাদের নিত্য সঙ্গী।

তাই পরিচালক এর আসনে থেকে এই বিষয়গুলোকে উল্টে দিতে পারলেই যে চাকা সচল হতে সময় লাগবে না সেটা আমার শুধুমাত্রই ধারনা নয়, আমার বর্তমান আয় এর অধিকাংশই এই অনলাইন এর কল্যানেই হয়।

প্রতিটি মানুষের নিত্যদিনের সত্য প্রচার করার প্রচেষ্টা-ই “আওয়াজ বাংলা”র প্রেরনা,শক্তি আর গন্তব্য।

শ্রম নামক চালিকাশক্তিকে কর্মক্ষম করতে “আওয়াজ বাংলা” সম্পুর্ন ব্যাক্তি উতসাহ আর অর্থায়নে সৃষ্ট জনতার অনলাইন মঞ্চ। যেখানে স্বাধীন ভাবে সৎ নির্ভরতায়, নিজের ও নিজের এলাকার মানুষের মনের কথা, ইচ্ছার কথা,আবেগ,স্বপ্ন প্রচার প্রচারনা সহ সকল উন্ননয়মুলক সচ্ছ, বস্তুনিষ্ট ও দক্ষতা নির্ভর কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রচার করাই উদ্দ্যেশ্যে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ব্যাপ্তির বিবেচনায় এর সাথে সম্পৃক্ত থেকে ও কার্যক্রম সম্পাদন এর মাধ্যমে যে কেউ অনলাইন নির্ভর উপার্জনক্ষম হয়েও গড়ে উঠতে পারে এবং যার প্রশিক্ষন ও বৈধতা সম্পুর্ন একক ভাবেই “আওয়াজ বাংলা” এবং এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দ রিশাদ নিজ দ্বায়িত্বে সংরক্ষন ও সুরক্ষিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

জনগন এর মোলিক অধিকার এর অন্যতম “স্বাধীন ভাবে কথা বলা” মাধ্যম প্রতিষ্ঠা করে “জনগনের নিজস্ব ভাবনা প্রকাশ করার পথ সচল রাখা”র মাধ্যমে অনলাইন নির্ভর কন্টেন্ট প্রচার মাধ্যমে অর্জিত আয় হতে পারে এর আগামীর চালিকাশক্তি।
এই তো বেশ, একা না হেটে কোটি মানুষের সাথে পুরোটা পথ হোক আনন্দের। এই হোক আমার আত্মার শান্তি প্রাপ্তি।

কারো বিচার করার দ্বায়ভার আপনার-আমার নয়, এটা যেমন নিশ্চিত তেমনি কে ভালো বা কে মন্দ সেটা বলার অধিকার অপেক্ষা কোনটা কাজ ভালো কোন কাজ খারাপ সেটা বলার অধিকার নিয়ে ভাবাটাই উত্তম বলেই বিবেচিত।
তথাপি সত্য এটাই যে, বলায় যতটা সন্মান পাওয়া যায় পালনে তার থেকে অধিক সন্মান কামাই হয়। আপনার উদারমনের আলোকিত মতামত প্রকাশে সচ্ছতা ও নিষ্ঠাবোধ বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে অতিকতর সমৃদ্ধশালী এবং শ্রদ্ধার।

শেষাংশে এভাবেই জানাতে চাই-
স্বাধীন আলোকিত উদারতা আর মানবিক প্রেরনা ছড়িয়ে সচ্ছলতা উপভোগ করবে অংশগ্রহনকারী প্রতিটি মানূষ এটাই “আওয়াজ বাংলা”র প্রতিদিন এর লক্ষ্য। এটাই আমার সন্তানের জন্য উত্তম ও উতকৃষ্ট জ্ঞ্যানভান্ডার হবে এটুকুই এই আমার “বাবা” মনের প্রত্যাশা।

স্রষ্টা যার যাই হোক সেটা আপনার আমার নিজস্ব গবেষনা হতে পারে, বিশৃঙ্খলতা নয়।

সরল পথের মিলনে শান্তি হোক প্রতিদিন।
স্রষ্টা সকলের মঙ্গল করুন।